BREXIT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে– British Exit। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও প্রভাবশালী আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট EU থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা (Exit) বােঝাতেই BREXIT শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে। ইইউ থেকে গ্রিসের ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা থেকে কয়েক বছর আগে যে GREXIT শব্দটির প্রচলন হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে বলা হচ্ছে BREXIT । ব্রিটেনের জনগণের একটা বড় অংশ জাতীয় কর্তৃত্ব খর্ব হওয়ার প্রশ্ন উত্থাপন করে দীর্ঘদিন থেকেই ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে আসা কিংবা এর সদস্যপদের শর্তাবলীর আমূল পরিবর্তন করা উচিত বলে দাবি করে আসছিলেন। তাদের যুক্তি হলাে, ইইউর সদস্য হওয়ার কারণে বর্তমানে ব্রিটেনের ৫৫ ভাগ আইন কানুন ইউরােপ কর্তৃক নির্ধারিত। যাতে ব্রিটেনের জাতীয় কর্তৃত্ব খর্ব হচ্ছে। এরূপ অবস্থায় জাতীয় কর্তৃত্ব বা সার্বভৌমত্ব খর্ব করার বিনিময়ে ইইউ’তে থেকে যাওয়ার স্ট্র্যাটেজিক সুবিধাটা বেশি কিনা তা নিয়েই তাদের সংশয় । এমন প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী ডেভিট ক্যামেরুন নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নির্বাচিত হলে তিনি এ প্রশ্নে গণভােটের ব্যবস্থা করবেন। এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই তিনি ২৩ জুন, ২০১৬ ইউরােপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার প্রশ্নে গণভােট গ্রহণ করেন। এ গণভােটে ব্রিটেনের জনগণ BREXIT-এর পক্ষে রায় প্রদান করে।


0 Comments